Advertisement
পরিচিতি: কম সোনার দাম ভোক্তাদের কীভাবে উপকৃত করবে
চারটি পরপর দামের বৃদ্ধির পর, স্থানীয় বাজারে সোনার দাম অবশেষে হ্রাস পেয়েছে—যা দেশজুড়ে গহনা ক্রেতাদের জন্য বড় স্বস্তি এনেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক ঘোষিত নতুন দাম শুধুমাত্র ভোক্তাদের চাপ কমায়নি, বরং সোনার বাজারেও নতুন গতি তৈরি করেছে।
এই প্রতিবেদনে জানা যাবে:
Advertisement
- নতুন সোনার দাম কত?
- কতটা হ্রাস হয়েছে?
- বাজার কেন পরিবর্তিত হলো?
- ক্রেতারা কীভাবে উপকৃত হতে পারে?
- বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যতের প্রত্যাশা
নতুন সোনার দাম — ২২ কেরাট প্রতি ভরি ৫,৪৪৭ টাকা কমেছে
বাজুস অনুসারে:
Advertisement
| সোনার ধরন | প্রতি ভরিতে দাম (টাকা) |
|---|---|
| ২২ কেরাট | ২০৮,২৭২ |
| ২১ কেরাট | ১৯৮,৮০১ |
| ১৮ কেরাট | ১৭০,৩৯৯ |
| সনাতন পদ্ধতি | ১৪১,৭১৮ |
অতিরিক্ত চার্জ:
Advertisement
- ৫% ভ্যাট (সরকার)
- ৬% বাধ্যতামূলক মেকিং চার্জ (বাজুস)
- ডিজাইন ও কারুশিল্পের ওপর নির্ভর করে শ্রমচার্জ ভিন্ন হতে পারে
কেন দাম কমল? — বাজার বিশ্লেষণ
বাজুস জানায়, খাঁটি সোনার দাম (তেজাবি সোনা) আন্তর্জাতিক ও স্থানীয়ভাবে হ্রাস পাওয়ায় দেশীয় বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
মূল কারণসমূহ:
- আন্তর্জাতিক সোনার মূল্যের ওঠানামা
- ডলারের বিনিময় হারের সামান্য হ্রাস
- চাহিদার কমে যাওয়া
- সোনার আমদানির খরচ কমে যাওয়া
দামের পরিবর্তনের সংখ্যা: ২০২৪–২০২৫ ট্রেন্ড
- ২০২৫: ৭৭ বার দাম পরিবর্তন
- ৫৩ বার বৃদ্ধি
- ২৪ বার হ্রাস
- ২০২৪: ৬২ বার দাম পরিবর্তন
- ৩৫ বার বৃদ্ধি
- ২৭ বার হ্রাস
এই সংখ্যাগুলি প্রমাণ করে যে সোনার বাজার অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং অস্থির।
Also read:দিঘির জন্য হোটেল ক্লিনারের ছোট চিরকুট যা ছুঁয়ে গেল সবার মন
কম দামে ক্রেতারা কীভাবে উপকৃত হতে পারে
- গহনাক্রয়ের সেরা সময়
বিয়ে বা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সোনা কেনার পরিকল্পনা থাকলে এই দামের হ্রাসের সুযোগ নেওয়া যায়। - বিনিয়োগকারীদের সুবিধা
কম দামে এখন সোনা কিনে পরে দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনায় লাভ করা যেতে পারে। - সোনার বাজারে ক্রিয়াশীলতা বৃদ্ধি
জুয়েলারদের মতে, দাম কমলে সাধারণত ক্রেতার আগমন বৃদ্ধি পায়।
ডিসক্লেমার
এই প্রতিবেদন বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য উৎস এবং সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি। প্রদত্ত উপাদান শুধুমাত্র তথ্যবহুল এবং বিনোদনমূলক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য। একে চূড়ান্ত বা প্রমাণিত বিবৃতি হিসেবে গণ্য করা যাবে না। প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত মতামত বিশ্লেষণ বা পূর্বাভাস লেখকের ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি মাত্র এবং কোনো প্রতিষ্ঠানকে প্রতিনিধিত্ব করে না। সময়ের সঙ্গে তথ্য পরিবর্তিত হতে পারে তাই পাঠকদের সরকারি বা নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
