Advertisement
পরিচিতি
জালালকাঠির রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে। জামায়াতে ইসলামী ড. ফায়জুল হককে জালালকাঠি-১ (রাজাপুর-কান্তালিয়া) আসনে ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তিনি আগে বিএনপির মালয়েশিয়া কমিটির সমাজকল্যাণ উপ-সচিব হিসেবে কাজ করেছেন। এই মনোনয়ন জেলা রাজনীতিতে ভারসাম্য পরিবর্তন করতে পারে এবং রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে।
ড. ফায়জুল হকের রাজনৈতিক যাত্রা
ড. ফায়জুল হকের রাজনৈতিক এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা শক্তিশালী:
Advertisement
- বিএনপির মালয়েশিয়া কমিটির সমাজকল্যাণ উপ-সচিব হিসেবে কাজ করেছেন
- ১২ জুলাই বিএনপি ত্যাগ করে স্বাধীন প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা দেন
- তিনি ওয়ালি-ই-কামিল হযরত কায়েদ সাহিবের নাতি এবং ইসলামী পণ্ডিত মৌলানা মুজাম্মিল হক রাজাপুরের কনিষ্ঠ পুত্র
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ (অনার্স) এবং এমএ লাভ করেছেন
- ২০১৯ সালে পিএইচডি অর্জন করেছেন
- ২০২৩ সালে আন্তর্জাতিক ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়, মালয়েশিয়া থেকে পোস্টডক্টরাল ফেলোশিপ লাভ করেছেন
শিক্ষাগত এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা মিলিয়ে তিনি একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে ভোটারদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য।
Advertisement
জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনয়ন
২৬ নভেম্বর জামায়াতে ইসলামী আনুষ্ঠানিকভাবে ড. ফায়জুল হককে জালালকাঠি-১ থেকে প্রার্থী ঘোষণা করে। জেলা আমীর হাফিজুর রহমান অ্যাডভোকেট মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন।
Advertisement
ড. ফায়জুল হক বলেন:
“জামায়াতে ইসলামী আমাকে প্রার্থী করেছে এটা আমার জন্য গর্বের এবং সম্মানের বিষয়। আমি নিশ্চিত যে জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করবে এবং ড. শফিকুর রহমান পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতবেন।”
তিনি আরও বলেন যে জালালকাঠি-১ আসন এই নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ হবে এবং সব দলের মানুষ ভোট দিতে পারবে।
কেন বিএনপি ত্যাগ করলাম
ড. ফায়জুল হক জানান:
- কিছু দলীয় নেতা ও কর্মীর অজানা কাজ নিয়ে উদ্বেগ
- স্বাধীনভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ইচ্ছা
- ৫ আগস্টে স্বৈরাচ্যের শেষের পর বাংলাদেশের পুনর্গঠনে সাহায্য
তিনি বলেন:
“আমি বিএনপি ত্যাগ করেছি যাতে আমার নির্বাচক ও ভোটারদের সঙ্গে একটি খোলা এবং ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলা যায়।”
Also read:এনসিপি ঘোষণা নতুন জোট — নির্বাচনী পরিস্থিতিতে বড় রকমের পরিবর্তন
এলাকায় প্রতিক্রিয়া ও সমর্থন
সাইফুল ইসলাম, এলাকার একজন বাসিন্দা বলেন:
“ড. ফায়জুল হক ইতিমধ্যেই বিভিন্ন স্থানে প্রচারণা শুরু করেছেন এবং ভোটারদের সমর্থন অর্জনের চেষ্টা করছেন।”
অ্যাডভোকেট সৈয়দ হুসেইন, জালালকাঠি জেলার বিএনপি সমন্বয়ক বলেন যে ড. ফায়জুল হক কখনও স্থানীয় বিএনপি ইউনিটের সদস্য ছিলেন না। এটি জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক তার মনোনয়নকে রাজনৈতিকভাবে সম্ভব এবং উপযুক্ত করেছে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং নেতৃত্বের দক্ষতা
ড. ফায়জুল হককে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে তার শিক্ষাগত এবং কর্মসংক্রান্ত অভিজ্ঞতার কারণে:
| শিক্ষা / অভিজ্ঞতা | বছর / বিবরণ |
|---|---|
| চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় | বিএ (অনার্স) ও এমএ |
| পিএইচডি | ২০১৯ |
| পোস্টডক্টরাল ফেলোশিপ | ২০২৩, আন্তর্জাতিক ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়, মালয়েশিয়া |
এই অভিজ্ঞতা ভোটারদের কাছে তাকে বিশ্বাসযোগ্য এবং শিক্ষিত নেতা হিসেবে পরিচিত করেছে।
ডিসক্লেইমার
এই সংবাদ বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং প্রকাশ্য তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি। বিষয়বস্তু শুধুমাত্র তথ্য এবং বিনোদনের উদ্দেশ্যে উপস্থাপিত হয়েছে। এটি চূড়ান্ত বা নিশ্চিত বিবৃতি নয়। প্রতিবেদনে উল্লেখিত মতামত এবং বিশ্লেষণ লেখকের ব্যক্তিগত এবং কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব করে না। তথ্য সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। পাঠকরা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে যাচাই করবেন।
