Advertisement
দেশব্যাপী ভোক্তাদের জন্য সুখবর। ভারতের থেকে পেঁয়াজ আমদানি অনুমোদনের পর এক দিনে কেজি প্রতি দাম কমেছে ২০–৪০ টাকা। এই মূল্যহ্রাস ভোক্তাদের স্বস্তি দিয়েছে এবং বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা এনেছে। বিশেষজ্ঞ এবং ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, যদি আমদানি অব্যাহত থাকে এবং নতুন মৌসুমের পেঁয়াজ বাজারে প্রবেশ করে, দাম আরও কমতে পারে।
দাম কমার বিস্তারিত
নিচের শহরগুলোতে পেঁয়াজের দাম কমার পরিস্থিতি দেখানো হলো:
Advertisement
| জেলা | কেজি প্রতি দাম |
|---|---|
| ঢাকা, খাচরা বাজার | ১২০–১৩০ টাকা, আগের দিনে প্রায় ১৫০ টাকা |
| দিনাজপুর | প্রায় ১০০ টাকা |
| চট্টগ্রাম, খাতুনগঞ্জ | পাইকারী ৮০–৯০ টাকা, খুচরা ১০০–১২০ টাকা |
| পাবনা | পুরনো পেঁয়াজ ৯০–১০০ টাকা, কাটা পেঁয়াজ ৭০–৭৫ টাকা |
ব্যবসায়ী কবির হোসেন বলেন
Advertisement
“গত সপ্তাহে ১৩০ টাকায় বিক্রি হওয়া পেঁয়াজ এখন ১০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। নতুন মৌসুমের পেঁয়াজ বাজারে প্রায় ৮৫ টাকায় প্রবেশ করছে।”
Advertisement
আমদানি অনুমোদন ও প্রক্রিয়া
কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে
| বিষয় | বিস্তারিত |
|---|---|
| দৈনিক অনুমোদন | ৫০টি আমদানি পারমিট ইস্যু করা হবে |
| প্রতিটি পারমিট | সর্বাধিক ৩০ টন পেঁয়াজ আমদানি অনুমতি দেয় |
| যোগ্যতা | ১ আগস্টের আগে আবেদনকারীরা উপযুক্ত |
| একবার অনুমোদন | অতিরিক্ত আবেদন প্রয়োজন নেই |
হিলি সীমান্তের মাধ্যমে আমদানি
তিন মাসের বিরতির পর ভারতের পেঁয়াজ হিলি সীমান্ত দিয়ে দিনাজপুরে وارد হয়েছে, যার ফলে বাজারে দাম প্রায় ৩০–৩৫ টাকা কমেছে।
হিলি ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট শহীদ ইসলাম বলেন
“আগস্টে আবেদন করা হয়েছিল, কিন্তু অনুমোদন দেরিতে হওয়ায় বাজার অস্থিতিশীল ছিল। এখন আমদানি পুনরায় শুরু হওয়ায় দাম পড়ছে।”
চট্টগ্রাম ও অন্যান্য শহরে প্রভাব
খাতুনগঞ্জ পাইকারী বাজারে দাম কমেছে প্রায় ৩০–৪০ টাকা।
হামিদুল্লাহ মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন
“আমদানি পারমিট ঘোষণা হওয়ার পর দাম কমেছে এবং সরবরাহ বেড়েছে।”
বাজারে নতুন মৌসুমের পেঁয়াজ বড় পরিমাণে এলে দাম আরও কমবে বলে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন।
বাজার অস্থিরতা ও ভোক্তাদের প্রতিক্রিয়া
গত মাসে পেঁয়াজের দাম ৪০–৬০ টাকা বেড়ে ১৫০–১৬০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছিল, যা ভোক্তাদের জন্য কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এক ক্রেতা মন্তব্য করেন
“এক দিনে ৩০–৪০ টাকার হঠাৎ ওঠানামা ভোক্তাদের জন্য চমকপ্রদ। আশা করি দাম যুক্তিসঙ্গত থাকবে এবং বাজার স্থিতিশীল থাকবে।”
কৃষি ও অর্থনৈতিক দিক
পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন
- চলতি বছরে কৃষকদের খরচ কম ছিল
- প্রতি মন দাম ২,০০০–২,৫০০ টাকার মধ্যে থাকলে কৃষক লাভবান হবেন
কৃষি মন্ত্রণালয় লক্ষ্য রাখছে যে, আমদানি ভোক্তা এবং কৃষক উভয়ের জন্য উপকারে আসুক।
Also read:ইতালি ওয়ার্ক ভিসা ২০২৫: সম্পূর্ণ গাইড এবং আবেদনকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা
সারসংক্ষেপ এবং বিশ্লেষণ
পেঁয়াজের দাম কমার ফলে বাজারে স্বস্তি এবং স্থিতিশীলতা এসেছে।
মূল পয়েন্টগুলো:
| বিষয় | বিশদ |
|---|---|
| ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি | কেজি প্রতি ২০–৪০ টাকা কমিয়েছে |
| নতুন মৌসুমের পেঁয়াজ | দাম আরও কমতে পারে |
| বাজার স্থিতিশীলতা | ভোক্তা এবং ব্যবসায়ীর উভয়েই স্বস্তি |
| মন্ত্রণালয়ের নীতি | নিয়ন্ত্রিত আমদানি দামের নিয়ন্ত্রণে সহায়ক |
ভোক্তাদের জন্য পরামর্শ:
- অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও বাজার আপডেট নিয়মিত দেখুন
- নতুন মৌসুমের পণ্য সম্পর্কে তথ্য রাখুন
- দাম ও সরবরাহের পরিবর্তন লক্ষ্য করুন
ডিসক্লেইমার
এই সংবাদ বিভিন্ন প্রামাণিক সূত্র এবং প্রকাশিত তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি। তথ্য শুধুমাত্র তথ্যবহুল এবং বিনোদনমূলক উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে। চূড়ান্ত বা নিশ্চিত বিবৃতি হিসেবে গ্রহণ করবেন না। সময়ের সঙ্গে তথ্য পরিবর্তনশীল হতে পারে, তাই যাচাইয়ের জন্য অফিসিয়াল সূত্র ব্যবহার করুন।
