Advertisement
মোহাম্মদপুরে কী ঘটেছিল?
ঢাকার মোহাম্মদপুরে লায়লা আফরোজ এবং তার কন্যা নাফিসা লালকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে, যা স্থানীয় জনগণকে আতঙ্কিত ও উদ্বিগ্ন করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এই হামলা সোমবার সকাল ৭ম তলার একটি ১৪ তলা আবাসিক ভবনের শাহজাহান রোডে ঘটেছে। নাফিসা লাল মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।
ঘটনার পর পুলিশ গোপন সূত্র থেকে তথ্য পেয়েছে, যা মোহাম্মদপুর থানার তদন্ত শুরু করতে সাহায্য করেছে।
Advertisement
আসোয়া আখতার গ্রেফতার ও স্বীকারোক্তি
১০ ডিসেম্বর বুধবার আসোয়া আখতার ঝালুকেটি নলছিটি ইউনিয়নের কারচর এলাকা থেকে গ্রেফতার হন।
Advertisement
উপ-পরিদর্শক মুহম্মদ শাহিদ ইসলাম মাসুম রাইজিং বিডিকে বলেন, “গোপন তথ্য এবং আইটি সরঞ্জাম ব্যবহার করে আমরা ডাবল মর্ডার কেসের সন্দেহভাজন আসোয়া আখতারের গ্রেফতার করেছি।” এছাড়াও তার স্বামী জামাল সিকদার রুবিও গ্রেফতার হন। আসোয়া স্বীকার করেছেন যে তিনি চুরি করার সময় ধরা পড়ায় মা ও কন্যাকে হত্যা করেছেন। তদন্ত চলছে যে অন্য কোনো উদ্দেশ্য বা পরিকল্পনা ছিল কিনা।
Advertisement
আসোয়া আখতার নরসিংদীর সালিমগঞ্জে বাস করেন। জামাল সিকদার রুবি জহলুকেটি কারচর এলাকার জাকির সিকদারের ছেলে।
তদন্তের প্রাথমিক তথ্য
আসোয়া পুলিশকে বলেছে:
- ঘটনার দিনে সে বাড়ি থেকে কিছু চুরি করেছিল।
- বাড়ির মালিক লায়লা আফরোজ চুরির বিষয়টি দেখার পর তাদের মধ্যে তর্ক হয়েছে।
- এই তর্কের সময় সে মা ও কন্যাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে।
পুলিশ এখনো যাচাই করছে অন্য কোনো উদ্দেশ্য বা পরিকল্পনা ছিল কিনা।
পুলিশের পদক্ষেপ
মোহাম্মদপুর পুলিশসহ অন্যান্য বিভাগের কার্যক্রম:
- গোপন সূত্রের ভিত্তিতে সন্দেহভাজনকে আটক করা
- কম্পিউটার ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে তথ্য যাচাই
- গৃহকর্মী ও অন্যান্য সাক্ষীর সঙ্গে তদন্ত করা
উপ-পরিদর্শক মুহম্মদ শাহিদ ইসলাম বলেন, দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
Also read:‘দাবাং’ প্রযোজক শাহরুখ খানকে সুপারস্টার হিসেবে স্বীকার করতে অস্বীকার করেছেন
মোহাম্মদপুরের জনগণ উদ্বিগ্ন
এই ধৃষ্ট ঘটনা শুধু পরিবার নয়, পুরো এলাকাকে আতঙ্কিত ও উদ্বিগ্ন করেছে। স্থানীয়রা চাচ্ছেন, গৃহকর্মীদের নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হোক যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়ানো যায়। বিশেষ করে স্কুলে পড়ুয়া সন্তানদের অভিভাবকরা এখন আরও সতর্ক।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)
| প্রশ্ন | উত্তর |
|---|---|
| হত্যাকাণ্ড কেন ঘটেছিল? | প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, চুরির কারণে তর্কের পর হত্যা হয়েছে |
| আসোয়া আখতার কত বয়সী? | ২০ বছর এবং মোহাম্মদপুরে গৃহকর্মী হিসাবে কাজ করতেন |
| হত্যাকাণ্ড কোথায় ঘটেছে? | মোহাম্মদপুর শাহজাহান রোডের ১৪ তলা আবাসিক ভবনের ৭ম তলায় |
| আর কে গ্রেফতার হয়েছে? | আসোয়ার স্বামী জামাল সিকদার রুবি |
| আহতরা কারা ছিলেন? | লায়লা আফরোজ ও তার কন্যা নাফিসা লাল |
উপসংহার
মোহাম্মদপুরে মা ও কন্যার হত্যাকাণ্ড ঢাকার পাশাপাশি নরসিংদী জেলাতেও মানুষকে উদ্বিগ্ন করেছে। গোপন তথ্য এবং দ্রুত পুলিশের পদক্ষেপের মাধ্যমে আসামীর গ্রেফতার ঘটনার তদন্তে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।
ডিসক্লেইমার
এই সংবাদ বিভিন্ন প্রামাণিক সূত্র এবং জনসাধারণের জন্য উপলব্ধ তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি কেবল তথ্যমূলক ও বিনোদনের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত এবং চূড়ান্ত বা নিশ্চিত বিবৃতি হিসেবে গণ্য করা উচিত নয়। সময়ের সঙ্গে তথ্য পরিবর্তিত হতে পারে, তাই পাঠকদের উচিত প্রামাণিক উৎস থেকে যাচাই করা।
