Advertisement
সম্প্রতি রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ এবং আসন্ন নির্বাচনে তাদের সম্ভাব্য ভূমিকা বড় খবর হয়েছে। ১৫ ডিসেম্বর, আওয়ামী লীগের মুখপাত্র ও প্রধান উপদেষ্টা শফিক আলম ত্রিদোস জাতীয় পরিষদ নির্বাচনের বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
শফিক আলমের ব্যাখ্যা
শফিক আলম বলেন:
Advertisement
“প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকা শেখ হাসিনা, দলের নেতা, মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি এবং রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে আইন এড়ানোর চেষ্টা করছেন। কোনো গণতান্ত্রিক দেশ এমন এক বিপজ্জনক ব্যক্তির নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দলকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে বা অফিসে নির্বাচন চালানোর অনুমতি দিতে পারবে না।”
Advertisement
এই বিবৃতি স্পষ্টভাবে দেখায় যে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভূমিকা কী হওয়া উচিত এবং আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার মানদণ্ড রাজনৈতিক কার্যক্রমকে সীমিত করে।
Advertisement
আইনগত ও নির্বাচনী স্বচ্ছতা
শফিক আলম বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত কেবল দলের অভ্যন্তরীণ কৌশল বা দেশের রাজনৈতিক অবস্থার উপর নির্ভর করে না, বরং এর ওপরও নির্ভর করে:
- বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সম্পর্কিত আইন ও বাধ্যবাধকতা
- দলের নেতৃত্বের আইনগত অবস্থা এবং কোনো অপরাধমূলক সম্পর্ক
- বিশ্বের সব জায়গায় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বজায় রাখা
এটি স্পষ্ট করে যে, স্বাধীন ও ন্যায্য নির্বাচন করতে হলে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক উভয় আইন অনুসরণ করা আবশ্যক।
Also read:স্বস্তিকা মুখার্জি: দেহের ইতিবাচকতা এবং স্বাধীনতা গ্রহণ
ঘোষণার গুরুত্ব
- গণতন্ত্রে আইনের শাসনকে প্রধান মানদণ্ড হিসেবে তুলে ধরে।
- গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির নেতৃত্বাধীন দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
- নির্বাচনে অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক মানদণ্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত, শুধুমাত্র দেশীয় রাজনৈতিক হিসাব নয়।
- এই বিবৃতির মাধ্যমে জনগণকে আইনগত জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছ নির্বাচনের গুরুত্ব সম্পর্কে আরও সচেতন করা হচ্ছে।
ডিসক্লেইমার
এই খবর বিভিন্ন প্রামাণিক সূত্র এবং প্রকাশ্য তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। প্রদত্ত তথ্য শুধুমাত্র তথ্য ও বিনোদনের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে এবং এটি চূড়ান্ত বা নিশ্চিত বিবৃতি হিসেবে গণ্য করা যাবে না। খবরের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত মতামত, বিশ্লেষণ বা পূর্বাভাস লেখকের ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ এবং কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার প্রতিনিধিত্ব করে না। তথ্য সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন হতে পারে, তাই পাঠকদের প্রামাণিক বা সরকারি সূত্র থেকে যাচাই করার অনুরোধ করা হচ্ছে। কোনো ক্ষতি বা ভুল বোঝাবুঝির জন্য দায়িত্ব স্বীকার করা হবে না।
