Advertisement
পরিচিতি
বাংলাদেশ তাদের দ্বিতীয় ম্যাচে শক্তিশালী পারফরম্যান্স দিতে ব্যর্থ হয়েছে এবং শ্রীলঙ্কার কাছে ছয় উইকেটে হেরেছে। শনিবার আবুধাবিতে খেলা ম্যাচে টাইগাররা প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৩৯ রান সংগ্রহ করেছিল, তবে শ্রীলঙ্কা মাত্র ১৪.৪ ওভারে সহজে লক্ষ্য পূরণ করে।
ম্যাচটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ শ্রীলঙ্কা তাদের টাইটেল রক্ষা ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে ব্যাটিং ও বোলিং উভয় দিকেই।
Advertisement
শ্রীলঙ্কার উজ্জ্বল ব্যাটিং: নিসানকা ও মিশারার ৯৫ রানের জুটি
- মূল জুটি: পাঠুম নিসানকা (৫০) এবং কামিল মিশারা (৪৬*) দ্বিতীয় উইকেটে মাত্র ৫২ বলে ৯৫ রান যোগ করেন, যা ম্যাচের রূপই বদলে দেয়।
- মিশারার শুরু: কুসাল মেন্ডিসের দ্রুত আউট হওয়ার পর মিশারা ধীরে শুরু করেন, কিন্তু শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে তিনটি ধারাবাহিক ফোর হাঁকিয়ে আক্রমণাত্মক হয়ে যান।
- নিসানকার হাফ-সেঞ্চুরি: নিসানকা ১৬তম টি২০ হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করে আউট হন, তবে তখন শ্রীলঙ্কা ইতিমধ্যেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়।
- মিশারার অবদান: মিশারা অপরাজিত ৪৬ রান খেলেন এবং দলের জয় নিশ্চিত করেন।
বাংলাদেশের ব্যাটিং: চাপের মধ্যে
শ্রীলঙ্কার বোলাররা টাইগারদের ১৩৯ রানে সীমাবদ্ধ রাখেন:
Advertisement
- নতুন বলে প্রাথমিক সাফল্য: দুশমন্থ চামিরা ও নুয়ান থুশারা ওপেনারদের আউট করেন এবং দুটি মেইডেন ওভার ফেলেন।
- প্রাথমিক উইকেট: প্রথম তিন ওভারে দুই উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
- ফিল্ডিং প্রভাব: মিশারা গভীর স্কোয়ার লেগ থেকে তৌহিদ হৃদয়কে রান আউট করেন।
- হাসারঙ্গার স্পিন ম্যাজিক: ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা দুই উইকেট নিয়ে বাংলাদেশি ইনিংসের মাঝপথে ব্যাটিং ব্যাহত করেন।
যদিও জাকের আলী (৪১) ও শামীম হোসেন (৪২) অপরাজিত ৮৬ রানের ষষ্ঠ উইকেট জুটি গড়েছিলেন, তবে এটি শ্রীলঙ্কার চ্যালেঞ্জ করার জন্য যথেষ্ট ছিল না।
Advertisement
ম্যাচের হাইলাইটস
| খেলোয়াড় | দল | পারফরম্যান্স |
|---|---|---|
| পাঠুম নিসানকা | শ্রীলঙ্কা | হাফ-সেঞ্চুরি, ৯৫ রানের জুটি |
| কামিল মিশারা | শ্রীলঙ্কা | ৪৬* অপরাজিত, ম্যাচ-উইনার |
| ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা | শ্রীলঙ্কা | ২ উইকেট, ২৫ রান |
| দুশমন্থ চামিরা | শ্রীলঙ্কা | নতুন বল দিয়ে প্রাথমিক উইকেট |
| লিটন দাস | বাংলাদেশ | অধিনায়ক, ব্যাটিং অপ্রতুল |
Also Read:ভারত পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপে জয়ী
অধিনায়কদের মন্তব্য
মিশারা:
“আমাদের প্রতি ওভারে সাত রানের প্রয়োজন ছিল। পাঠুম আমাকে ধৈর্য ধরতে বলেছিল, এবং সুযোগ পেলে আমি আক্রমণাত্মক খেলি। খুশি যে আমি দলের জয় নিশ্চিত করতে পারলাম।”
লিটন দাস:
“এটি ১৪০ রানের পিচ ছিল না। আমাদের আরও রান করা উচিত ছিল। পাওয়ার প্লেতে চাপের মুখে পড়ে আমরা আর ফেরার পথ পাইনি। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পরের ম্যাচ আমাদের জন্য জিততেই হবে, আমরা আমাদের সবটুকু দেব।”
ম্যাচ বিশ্লেষণ
- ব্যাটিং চাপ: প্রাথমিক উইকেটগুলো বাংলাদেশের চেজ কঠিন করে তোলে।
- মজবুত জুটি: শ্রীলঙ্কা দুই বড় জুটির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ নেয়।
- বোলিং দক্ষতা: শ্রীলঙ্কার বোলাররা প্রাথমিক চাপ প্রয়োগ করে ম্যাচ নিজেদের দিকে ঘুরিয়ে আনে।
- গেম ব্যালান্স: বাংলাদেশের ষষ্ঠ উইকেট জুটি রান যোগ করলেও যথেষ্ট হয়নি।
পরবর্তী ম্যাচ
- শ্রীলঙ্কা হংকংয়ের মুখোমুখি হবে দুবাইতে।
- বাংলাদেশ আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পরবর্তী ম্যাচ জিততে হবে টুর্নামেন্টে টিকে থাকার জন্য।
করণীয়
এশিয়া কাপ ২০২৫-এর সকল আপডেট এবং ম্যাচ হাইলাইটসের জন্য আমাদের নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুসরণ করুন এবং মন্তব্যে আপনার মতামত শেয়ার করুন।
