Advertisement
বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহুল কবীর রিজভী শুক্রবার পার্টির নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের শারদীয়া দুর্গাপূজার সময় সতর্ক থাকার এবং শান্তি বজায় রাখতে সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি এই বার্তাটি জেলা ও মহানগর পর্যায়ের পার্টি নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সভায় প্রদান করেন। সভায় সভাপতি, কো-অর্ডিনেটর, সাধারণ সম্পাদক, সদস্য সচিব, বিভাগীয় ও সহ-সংগঠক সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।
Advertisement
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পার্টির দায়িত্ব
- রিজভী জোর দিয়ে বলেন যে, বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ।
- হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধুমাত্র প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি বিএনপি নেতাদের নৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্বও।
- তিনি পৌজা মণ্ডপে শান্তি বজায় রাখতে প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
পৌজা নিরাপত্তার সতর্কতা
- রিজভী সতর্ক করেন যে, পূজা উদযাপন বিঘ্নিত করার এবং দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র চলছে।
- পার্টির নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের পূর্ববর্তী বছরের মতো সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে যাতে উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
Also read:Lএনসিপি ঘোষণা করল স্বাধীন রাজনৈতিক কৌশল, কোনো জোটের সম্ভাবনা নেই
জনসচেতনতা ও সহযোগিতা
- রিজভী বলেন:
“সকলকে সতর্ক এবং সচেতন থাকতে হবে, যাতে সুযোগপিপাসু ব্যক্তিরা দেশের ভাবমূর্তিতে ক্ষতি করতে না পারে এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়।” - জেলা, মহানগর ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যাতে সকল অঞ্চলে সমন্বয় নিশ্চিত হয়।
উপসংহার
রাহুল কবীর রিজভীর নির্দেশনা অনুযায়ী, বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা শারদীয়া দুর্গাপূজার সময় সতর্ক থাকবেন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব শান্তিপূর্ণ ও বিঘ্নমুক্তভাবে উদযাপিত হবে তা নিশ্চিত করবেন। পার্টি ও প্রশাসনের যৌথ প্রচেষ্টা ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে এবং দেশের ভাবমূর্তি রক্ষা করতে সহায়ক হবে।
Advertisement
প্রশ্ন:
আপনার মতে, শারদীয়া দুর্গাপূজার সময় শান্তি বজায় রাখতে কমিউনিটি ও রাজনৈতিক দলগুলো কীভাবে একসাথে কাজ করতে পারে? মন্তব্যে জানিয়ে দিন এবং সর্বশেষ আপডেটের জন্য সাবস্ক্রাইব করুন।
Advertisement
