Advertisement
ভূমিকা এক চমকপ্রদ প্রকাশ
ভারতের জনপ্রিয় বাংলা ও হিন্দি টেলিভিশন অভিনেত্রী রূপা দত্ত আবারও সংবাদের শিরোনামে এসেছেন তবে এবার কারণ কোনো সিনেমা নয়।
২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার কলকাতা পুলিশ তাঁকে স্বর্ণালঙ্কার চুরির অভিযোগে গ্রেফতার করে।
এই খবরে সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিনোদন জগতে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
কীভাবে ধরা পড়লেন রূপা দত্ত
হিন্দুস্তান টাইমস-এর প্রতিবেদনে জানা যায় যে কলকাতার ব্রাবোর্ন রোড থেকে রূপা দত্তকে গ্রেফতার করা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী ১৫ অক্টোবর তিনি পোস্তা থানার অন্তর্গত একটি দোকানে এক নারীর ব্যাগ থেকে সোনা ও নগদ অর্থ চুরি করেন।
চুরি যাওয়া জিনিসগুলোর মধ্যে ছিল
Advertisement
| চুরি হওয়া সামগ্রী | পরিমাণ |
|---|---|
| মঙ্গলসূত্র | ২০ গ্রাম সোনা |
| পেনডেন্ট | ২১ গ্রাম সোনা |
| দুটি বালা | ১৩ গ্রাম ও ৯ গ্রাম |
| নগদ অর্থ | ₹৪০০০ |
দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ রূপা দত্তকে শনাক্ত করে এবং পরবর্তীতে তাঁর বাড়ি তল্লাশি চালিয়ে মোট ৬২.৯৫ গ্রাম সোনা উদ্ধার করে যা সন্দেহ করা হচ্ছে চুরি করা গয়না।
Advertisement
আদালতে উপস্থিতি অভিনেত্রীর অস্বীকার
২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর শুক্রবার রূপা দত্তকে আদালতে হাজির করা হয়।
পুলিশ আদালতকে জানায় যে তিনি আগে টলিউড ও হিন্দি টেলিভিশনের পরিচিত মুখ ছিলেন তবে বহু বছর ধরে কাজ করছিলেন না।
প্রথমে রূপা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন কিন্তু উদ্ধার হওয়া গয়না ভুক্তভোগীর বর্ণনার সঙ্গে মিলে যাওয়ায় অভিযোগের ভিত্তি আরও মজবুত হয়।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন
“তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্ত বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।”
Advertisement
আগের গ্রেফতার বইমেলার ঘটনা
রূপা দত্ত এর আগেও গ্রেফতার হয়েছিলেন।
২০২২ সালে কলকাতা বইমেলায় পকেটমারি করার অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়।
তখন তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল
| উদ্ধারকৃত বস্তু | পরিমাণ |
|---|---|
| ওয়ালেট | একাধিক |
| নগদ অর্থ | প্রায় ₹৭৫,০০০ |
| জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি কোনো সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। পরে জামিনে মুক্তি পান। |
অভিনয় জীবন খ্যাতি থেকে বিতর্কে
রূপা দত্ত টলিউডে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করেন এবং ২০০০ সালের শুরুর দিকে তিনি জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছান।
তবে ২০১০ সালের পর তাঁর ক্যারিয়ার নিম্নগামী হয় এবং ধীরে ধীরে তিনি চলচ্চিত্র জগৎ থেকে সরে দাঁড়ান।
Also read:ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের বয়স সময়কেও হার মানানো সৌন্দর্য
বিতর্ক অনুরাগ কাশ্যপ থেকে চুরির অভিযোগ পর্যন্ত
২০২০ সালে রূপা দত্ত চলচ্চিত্র নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপের বিরুদ্ধে অশোভন বার্তা পাঠানোর অভিযোগ আনেন।
পরে সেই অভিযোগ ভুয়া প্রমাণিত হয় এবং সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন।
এরপর থেকে তাঁর জনপ্রিয়তা আরও কমে যায় এবং বর্তমান চুরির মামলা তাঁর জীবনে আরেকটি কালো অধ্যায় যোগ করেছে।
উপসংহার খ্যাতি থেকে পতন
যিনি একসময় অভিনয় দক্ষতার জন্য প্রশংসিত ছিলেন তাঁর জীবন এখন বিতর্ক ও কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত।
রূপা দত্তের এই ঘটনা প্রমাণ করে যে খ্যাতি ও আলো এক মুহূর্তে ম্লান হয়ে যেতে পারে যদি তা সঠিকভাবে ধরে রাখা না যায়।
ঘোষণা
এই প্রতিবেদনটি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং সর্বসাধারণের জন্য উপলব্ধ তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি। প্রদত্ত উপাদান শুধুমাত্র তথ্য ও বিনোদনের উদ্দেশ্যে ব্যবহারযোগ্য এবং একে চূড়ান্ত বা প্রামাণিক ঘোষণা হিসেবে গণ্য করা উচিত নয়। প্রতিবেদনে প্রকাশিত মতামত বিশ্লেষণ বা পূর্বাভাস লেখকের ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি এবং কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মত নয়। তথ্যসমূহ সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে তাই পাঠকদের সরকারি বা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এই প্রতিবেদনের উপাদানের উপর নির্ভর করে কোনো ক্ষতি বা বিভ্রান্তির জন্য দায় গ্রহণ করা হবে না।
