Advertisement
ভূমিকা সময় বদলায় কিন্তু ঐশ্বরিয়া নয়
বলিউড বদলে গেছে পৃথিবী বদলে গেছে কিন্তু ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন এখনও বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী নারীদের মধ্যে অন্যতম।
এই কালজয়ী অভিনেত্রী জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১ নভেম্বর এবং এই বছর তাঁর বয়স ৫১ পূর্ণ হচ্ছে।
তবুও তাঁর সৌন্দর্য আর আভিজাত্য আজও দর্শকদের মুগ্ধ করে।
তিনি শুধু একজন তারকা নন বরং বিশ্বজুড়ে সৌন্দর্য আত্মবিশ্বাস ও শালীনতার প্রতীক।
শৈশব ও স্বপ্ন মাঙ্গালোর থেকে মুম্বাই পর্যন্ত
ঐশ্বরিয়া রাই ভারতের কর্ণাটকের মাঙ্গালোর শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
শৈশবে তিনি স্থপতি হতে চেয়েছিলেন কিন্তু ভাগ্য তাঁকে অন্য পথে নিয়ে যায়।
১৯৯৪ সালে তিনি মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব জয় করেন এবং সেই রাতেই তাঁর জীবন বদলে যায়।
এরপর তিনি দ্রুতই বিজ্ঞাপন মডেলিং এবং চলচ্চিত্রে প্রবেশ করেন।
Advertisement
বলিউড যাত্রা অউর পেয়ার হো গয়া থেকে পোন্নিয়িন সেলভান
ঐশ্বরিয়া ১৯৯৭ সালে মণি রত্নমের ইরুভর চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন এবং একই বছর বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন অউর পেয়ার হো গয়া সিনেমার মাধ্যমে।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কিছু চলচ্চিত্র হল
Advertisement
| বছর | চলচ্চিত্রের নাম | বিশেষ বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| ১৯৯৯ | হম দিল দে चुके সনম | সালমান খান ও অজয় দেবগনের সঙ্গে অনবদ্য রোমান্স |
| ১৯৯৯ | তালের সুর | এ আর রহমানের সুরে সঙ্গীতের জাদু |
| ২০০২ | দেবদাস | পারো চরিত্রে ঐশ্বরিয়া জনপ্রিয়তার শিখরে |
| ২০০৮ | জোধা আকবর | রাণীর মতো গাম্ভীর্য ও সৌন্দর্য |
| ২০০৭ | গুরু | অভিনয়ে গভীরতা ও বাস্তবতা |
| ২০০৬ | ধুম ২ | আধুনিক গ্ল্যামার ও আত্মবিশ্বাস |
| ২০২২ | পোন্নিয়িন সেলভান | নন্দিনীর চরিত্রে মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন |
বলিউডের বাইরেও এক বিশ্ব আইকন
ঐশ্বরিয়া হলিউডের ব্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস ও দ্য পিঙ্ক প্যান্থার ২ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন।
দীর্ঘ দুই দশক ধরে তিনি ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছেন কান চলচ্চিত্র উৎসবে এবং প্রতিবারই তাঁর উপস্থিতি লাল গালিচায় এক বিশেষ ফ্যাশন মুহূর্ত হয়ে ওঠে।
Advertisement
ঐশ্বরিয়া একজন ব্র্যান্ড ও সমাজসেবী
ঐশ্বরিয়া শুধুমাত্র একজন অভিনেত্রী নন তিনি লরিয়েল প্যারিসের গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর।
তিনি ঐশ্বরিয়া রাই ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও দরিদ্র শিশুদের সাহায্য করে আসছেন।
তাঁর বিনয় ও মানবিকতা তাঁকে প্রকৃত অর্থে একটি রোল মডেল করে তুলেছে।
পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন বচ্চন পরিবারের গর্ব
ঐশ্বরিয়া ২০০৭ সালে বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করেন।
২০১১ সালে তাঁদের কন্যা আরাধ্যা বচ্চনের জন্ম হয়।
মা হওয়ার পরও ঐশ্বরিয়া জজবা সারবজিত ও অ্যে দিল হ্যায় মুশকিল এর মতো ছবিতে দুর্দান্তভাবে প্রত্যাবর্তন করেন এবং প্রমাণ করেন যে বয়স শুধুমাত্র একটি সংখ্যা।
সৌন্দর্যের রহস্য নিজের অসম্পূর্ণতাকে গ্রহণ করা
ঐশ্বরিয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন
“সৌন্দর্য মানে নিখুঁত হওয়া নয় নিজেকে ভালোবাসা আর নিজের ত্রুটিগুলোকে মেনে নেওয়াই আসল সৌন্দর্য।”
এই বিশ্বাসই তাঁকে আরও অনন্য করেছে। তাঁর হাসি বিনয় আর আত্মবিশ্বাস কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা।
সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের শুভেচ্ছা
#HappyBirthdayAishwaryaRai হ্যাশট্যাগে সামাজিক মাধ্যমে ভক্তরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।
পুরনো বিজ্ঞাপন চলচ্চিত্রের দৃশ্য ও ছবি পোস্ট করে লিখছেন
“তুমি সময়কেও হারিয়ে দিয়েছ ঐশ্বরিয়া।”
Also read:আমার সন্তানের দাদাবাবু-দিদিমারাও কি ‘এক্স’ (সাবেক)
উপসংহার বয়স ম্লান হয় কিন্তু শোভা নয়
ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন প্রমাণ করেছেন প্রকৃত সৌন্দর্য কখনও ম্লান হয় না।
সময় পেরিয়ে গেলেও আভিজাত্য ও আত্মবিশ্বাস অমর থাকে।
৫১ বছর বয়সেও তিনি এক অনুপ্রেরণা এক কিংবদন্তি এবং এক জীবন্ত প্রতীক যে সৌন্দর্য বয়সের নয় মনোভাবের বিষয়।
ঘোষণা
এই প্রতিবেদনটি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং সর্বসাধারণের জন্য উপলব্ধ তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি। প্রদত্ত উপাদান শুধুমাত্র তথ্য ও বিনোদনের উদ্দেশ্যে ব্যবহারযোগ্য এবং একে চূড়ান্ত বা প্রামাণিক ঘোষণা হিসেবে গণ্য করা উচিত নয়। প্রতিবেদনে প্রকাশিত মতামত বিশ্লেষণ বা পূর্বাভাস লেখকের ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি এবং কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মত নয়। তথ্যসমূহ সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে তাই পাঠকদের সরকারি বা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এই প্রতিবেদনের উপাদানের উপর নির্ভর করে কোনো ক্ষতি বা বিভ্রান্তির জন্য দায় গ্রহণ করা হবে না।
