Friday, January 2, 2026
Homeট্রেন্ডিংশেখ হাসিনার রায়: দণ্ডপ্রাপ্তের মুখ উন্মোচিত, মৃত্যুদণ্ডের পর প্রতিক্রিয়া

শেখ হাসিনার রায়: দণ্ডপ্রাপ্তের মুখ উন্মোচিত, মৃত্যুদণ্ডের পর প্রতিক্রিয়া

Advertisement

ঢাকা, বাংলাদেশ – আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রাক্তন গৃহমন্ত্রী আসাদ আল-জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। প্রায় দুই এবং অর্ধ ঘণ্টার মধ্যে ৪৫৩ পাতার বিস্তৃত রায় প্রদান করা হয়েছে। প্রাক্তন পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে রায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে, যিনি রায়ে রাজকীয় সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনার বক্তব্য

রায়ের পর শেখ হাসিনা বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মানবাধিকার নীতির লঙ্ঘন।

Advertisement

তার রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে:
“এটি মানবতার বিরুদ্ধে একটি অপরাধ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দ্বারা পরিচালিত। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রকৃত মুখ প্রকাশ পেয়েছে এবং একটি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী অপসারণ করা হয়েছে।”

Advertisement

তিনি আরও বলেন, রায়টি জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করা রাজনৈতিক দলের বৈধতাকেও ক্ষুণ্ন করেছে।

Advertisement

রায়ের বিবরণ

আদালতে বিচারক উল্লেখ করেছেন, গত বছরের জুলাই–আগস্টের প্রতিবাদ চলাকালে ১,৪০০ জন নিহত হয়েছিল এবং শেখ হাসিনার আন্দোলনে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায় প্রদানের আগে সব প্রমাণ ও সাক্ষীদের বিবৃতি বিবেচনা করেছে।

মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা হওয়ার পর শেখ হাসিনা মন্তব্য করেছেন:
“এই সিদ্ধান্ত গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী এবং জনগণের প্রতিনিধিত্বকে অবজ্ঞা করে, যখন দোষীদের মুখ উন্মোচিত হয়েছে।”

মৃত্যুদণ্ডের রাজনৈতিক প্রভাব

  • আন্তর্জাতিক মনোযোগ: রায়টি বৈশ্বিক মিডিয়ার মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোর নজর কেড়েছে।
  • রাজনৈতিক উত্তেজনা: এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে পারে।
  • জনপ্রতিক্রিয়া: আওয়ামী লীগ সমর্থকরা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং রাজনৈতিক প্রতিবাদ তীব্র হতে পারে।

Also read:প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরামর্শ আওয়ামী লীগের প্রতি: শেখ হাসিনার রায়ের প্রেক্ষাপটে একটি সংবেদনশীল মুহূর্ত

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অবস্থান

৫ আগস্ট, জনসাধারণের আন্দোলনের চাপের কারণে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়েছিলেন। এই সময়ে তিনি দেশত্যাগী ঘোষণা করা হয় এবং তার কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল করা হয়।

তার মতে, রায়টি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রাজনৈতিক এজেন্ডা এবং কর্মকাণ্ডের প্রতিফলন, যা নির্বাচিত সরকারের ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা করে।

উপসংহার এবং জনসাধারণের প্রত্যাশা

শেখ হাসিনা বলেছেন:
“এই রায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার ত্রুটিগুলো প্রকাশ করেছে। আমাদের লক্ষ্য জনগণের অধিকার রক্ষা করা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বজায় রাখা।”

রায়ের পর আন্তর্জাতিক চাপ এবং মানবাধিকার রক্ষার পদক্ষেপের দিকে জনগণ ও রাজনৈতিক মহল এখন গভীর নজর রাখছে।

ডিসক্লেইমার

এই সংবাদটি বিভিন্ন প্রামাণিক সূত্র এবং প্রকাশিত তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি। প্রদত্ত তথ্য শুধুমাত্র তথ্য ও বিনোদনের উদ্দেশ্যে, যা চূড়ান্ত বা প্রমাণিত বিবৃতি হিসেবে গণ্য করা যাবে না। সংবাদে অন্তর্ভুক্ত মতামত, বিশ্লেষণ বা পূর্বাভাস লেখকের ব্যক্তিগত ধারণা এবং কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার প্রতিনিধি নয়। সময়ের সাথে তথ্য পরিবর্তিত হতে পারে, তাই পাঠকরা যাচাইয়ের জন্য সরকারি বা প্রামাণিক সূত্রে رجوع করুন। এই সংবাদে নির্ভর করার কারণে যে কোনো ক্ষতি বা ভুল বোঝার দায়ভার গ্রহণ করা হবে না।

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সবচেয়ে বেশি পঠিত