Advertisement
টলিউড অভিনেত্রী পায়েল সরকার সম্প্রতি “স্ট্রিট আপ উইথ শ্রী” পডকাস্টে অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে তার দীর্ঘ চলচ্চিত্র জীবনের একটি গুরত্বপূর্ণ ঘটনা প্রকাশ করেছেন। তিনি শেয়ার করেছেন কিভাবে একজন প্রযোজক অনৈতিক দাবি তুলেছিলেন এবং তাকে হুমকি দিয়েছিলেন—কিন্তু তিনি এতে হার মানেননি।
পায়েলের টলিউড যাত্রা
- পায়েল সরকার ২০০৪ সালে “শুধু তুমি” চলচ্চিত্র দিয়ে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন।
- তিনি প্রায় সকল প্রধান টলিউড অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছেন।
- বিভিন্ন চরিত্রে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে অভিনয় করেছেন, এমনকি শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জিং বা ঝুঁকিপূর্ণ দৃশ্যে অংশ নিয়েছেন।
ক্যারিয়ারে চ্যালেঞ্জ
- পায়েল তার শারীরিক ও ব্যক্তিগত সীমা প্রায়শই পরীক্ষা করেছেন।
- দীর্ঘ ক্যারিয়ারে শীর্ষ অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছেন।
অন্যায় প্রস্তাব প্রকাশ
- পায়েল প্রকাশ করেছেন যে একজন প্রযোজক ব্যক্তিগত এবং অনৈতিক দাবি তুলেছিলেন।
- যখন জিজ্ঞেস করা হয় এটি কি যৌন সুবিধার জন্য ছিল, তিনি বিনা দ্বিধায় উত্তর দেন:
“হ্যাঁ, ঠিক তাই।” - প্রযোজক মিথ্যা তথ্য এবং ক্ষতিকর মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েছেন, সঙ্গে বিভ্রান্তিকর ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।
- এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তিনি হাল ছাড়েননি এবং কাজ চালিয়ে গিয়েছেন।
- পরে তিনি “প্রেম অমর” এবং “লে চাকা” চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, এক বছরেই দুটি প্রজেক্ট সম্পন্ন করেন।
সামাজিক মনোভাব ও নারীদের চ্যালেঞ্জ
- পায়েল তার হতাশা প্রকাশ করেছেন:
“যখন একজন মহিলা ‘না’ বলেন, পুরুষরা প্রায়শই এটি তাদের অহঙ্কারের চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেন। নারীর প্রত্যাখ্যান এখনও গ্রহণ করা কঠিন, শিল্পজগতে বা বাইরের ক্ষেত্রেও।” - তিনি জোর দিয়েছেন যে নারীরা তাদের সিদ্ধান্তের জন্য সম্মান পাওয়ার যোগ্য এবং সামাজিক মনোভাব পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন।
Also read:শেখ হাসিনার রায়: দণ্ডপ্রাপ্তের মুখ উন্মোচিত, মৃত্যুদণ্ডের পর প্রতিক্রিয়া
ব্যক্তিগত জীবন
- পায়েলের ব্যক্তিগত জীবনও মাঝে মাঝে মিডিয়ার নজরে এসেছে।
- পরিচালক রাজ চক্রবর্তী সঙ্গে তার সম্পর্ক আলোচিত হয়েছে, বিশেষত “বোঝে না সে বোঝে না” চলচ্চিত্রের পর।
- বর্তমানে ৪০ বছর বয়সী পায়েল একা রয়েছেন।
- তার শেষ চলচ্চিত্র “নাজারবন্দি”।
- তিনি সবসময় ব্যক্তিগত জীবনের চেয়ে পেশাদারী অঙ্গীকারকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
পায়েলের বার্তা
- সকল অভিনেত্রী এবং তরুণ মহিলাদের জন্য পরামর্শ:
- তাদের অধিকার এবং ব্যক্তিগত সীমানা রক্ষা করা।
- চাপ বা হুমকির মধ্যে কখনও কাজ না করা।
- সামাজিক চাপে সত্ত্বেও স্বাধীনতা বজায় রাখা।
- পায়েল মনে করেন, এই ধরনের চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় সাহস ও দৃঢ়সংকল্পই সবচেয়ে বড় শক্তি।
ডিসক্লেইমার
এই সংবাদটি বিভিন্ন প্রামাণিক সূত্র এবং প্রকাশিত তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি। প্রদত্ত তথ্য শুধুমাত্র তথ্য ও বিনোদনের উদ্দেশ্যে, যা চূড়ান্ত বা প্রমাণিত বিবৃতি হিসেবে গণ্য করা যাবে না। সংবাদে অন্তর্ভুক্ত মতামত, বিশ্লেষণ বা পূর্বাভাস লেখকের ব্যক্তিগত ধারণা এবং কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার প্রতিনিধি নয়। সময়ের সাথে তথ্য পরিবর্তিত হতে পারে, তাই পাঠকরা যাচাইয়ের জন্য সরকারি বা প্রামাণিক সূত্রে رجوع করুন। এই সংবাদে নির্ভর করার কারণে যে কোনো ক্ষতি বা ভুল বোঝার দায়ভার গ্রহণ করা হবে না।
Advertisement
