Advertisement
প্রেম আবার জাগিয়ে তুলছেন?
বহুল প্রতীক্ষিত ভারতীয় ক্রিকেট তারকা স্মৃতি মন্ধানা এবং সংগীত পরিচালক পলাশ মুছাল-এর বিবাহ অনুষ্ঠান সাময়িকভাবে স্থগিত হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ইন্টারনেটে একের পর এক গুজবে ভরে গেছে। গুরুতর প্রতারণার অভিযোগ থেকে শুরু করে স্মৃতির বাবা শ্রীনিবাস মন্ধানার অসুস্থতা পর্যন্ত, একাধিক ঘটনা তাঁদের বহুচর্চিত ‘পালরিতি’ সম্পর্কটির উপর অনিশ্চয়তার ছায়া ফেলেছে।
তবে, একটি সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়া ক্লু নতুন মোড় এনেছে। যখন বিচ্ছেদের গুজব তুঙ্গে, ঠিক সেই মুহূর্তে দুই তারকার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে একটি যুগপৎ পরিবর্তন অনেকের মনেই নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে। এটি কি তবে শুভ পরিণয়ের উজ্জ্বল সম্ভাবনার ইঙ্গিত? এই প্রতিবেদনে তাঁদের ভক্তদের মনে ওঠা প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে এই ক্লু-গুলির গভীরে আলোকপাত করা হয়েছে।
Advertisement
এভিল আই‘ ইমোজি: সোশ্যাল মিডিয়ায় এক রহস্যময় ইঙ্গিত
তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে সব আলোচনার মাঝে, এই দুই সেলিব্রিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মিলিত ইনস্টাগ্রাম বায়ো পরিবর্তন করেছেন। কী সেই পরিবর্তন?
Advertisement
বর্তমানে স্মৃতি মন্ধানা এবং পলাশ মুছাল উভয়ের ইনস্টাগ্রাম বায়োতেই একই রহস্যময় ইমোজিটি দেখা যাচ্ছে— সেটি হলো ‘এভিল আই‘ ইমোজি।
Advertisement
এই ইমোজিটির অর্থ কী? সাধারণত এই প্রতীকটি তাঁদের ভালোবাসার সম্পর্ককে “কারো যেন কুনজর না লাগে” – এই বার্তাটি দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
স্মৃতি এখনও পর্যন্ত তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া থেকে পলাশের সঙ্গে তোলা ছবি/ভিডিও মুছে ফেলার মতো কোনো চরম পদক্ষেপ নেননি। এছাড়াও, পলাশের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে প্রস্তাব (এনগেজমেন্ট)-এর ভিডিওতে স্মৃতির ট্যাগ এখনও রয়েছে। এই সমস্ত কারণ একত্রে ভক্তদের মনে এই বিশ্বাস জাগাচ্ছে যে, তাঁদের বিবাহের শুভ মুহূর্ত হয়তো খুব শীঘ্রই আসতে চলেছে।
কেন হঠাৎ করে বিয়ে স্থগিত করা হলো? প্রেক্ষাপট ও জল্পনা
যদি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চলত, তবে বিয়ের স্থগিতাদেশের পরিবর্তে ২৩শে নভেম্বর বিয়ের সানাই বাজত। তবে, দুটি প্রধান কারণে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়:
স্মৃতির বাবার অসুস্থতা
নির্ধারিত বিয়ের ঠিক একদিন আগে স্মৃতির বাবা, শ্রীনিবাস মন্ধানা, হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এই দুঃখজনক খবরটিই মূলত সাময়িকভাবে বিবাহ অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার প্রধান কারণ ছিল। এই কঠিন সময়ে পলাশের মা গণমাধ্যমকে দুঃখের সঙ্গে বলেছিলেন, “স্মৃতি এবং পলাশ দুজনেই খুব কষ্টে আছে। কিন্তু সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে এবং বিয়ে খুব তাড়াতাড়িই হবে।”
পলাশের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
স্থগিতাদেশের আরেকটি প্রধান আলোচিত কারণ ছিল পলাশ মুছালের বিরুদ্ধে ওঠা প্রতারণার অভিযোগ। গুজব ছড়িয়েছিল যে বিয়ের ঠিক আগে তাঁকে একজন কোরিওগ্রাফারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা গিয়েছিল।
কে এই কোরিওগ্রাফার? গুজবে নন্দিকা দ্বিবেদীর নাম উঠে এলেও, অন্য এক বিবাহ কোরিওগ্রাফার, গুলনাজ, সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দেন।
যদিও কোনো পক্ষই প্রকাশ্যে এই বিষয়ে মন্তব্য করেনি, তবুও এই গুজব বিচ্ছেদের জল্পনা বাড়িয়েছিল। ইনস্টাগ্রামে সাম্প্রতিক পদক্ষেপটি এই জল্পনাকে অনেকটাই প্রশমিত করছে।
Also Read:ঢাকা ক্যাপিটালস ঘোষণা করল প্রধান কোচ; ভক্তদের উল্লাস
পলাশের পরিবার স্বপ্ন দেখেছিল যে পলাশ তাঁর নতুন বধূকে ঘরে নিয়ে আসবে। যদিও সেই স্বপ্ন এখনও পূরণ হয়নি, সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন ইঙ্গিতগুলি ভক্তদের মধ্যে আশা জাগিয়ে তুলেছে।
আপনার মতামত কী
স্মৃতি এবং পলাশের এই ইনস্টাগ্রাম পদক্ষেপ কি এটাই প্রমাণ করে যে তাঁদের সম্পর্ক এখনও অটুট? নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে?
