Saturday, January 3, 2026
Homeখবরআমার সন্তানের দাদাবাবু-দিদিমারাও কি 'এক্স' (সাবেক)

আমার সন্তানের দাদাবাবু-দিদিমারাও কি ‘এক্স’ (সাবেক)

Advertisement

গেছেন? পরীমণির বিস্ফোরক প্রশ্ন!

ঢাকা চলচ্চিত্রের বিতর্কিত অভিনেত্রী পরীমণি সবসময়ই শিরোনামে থাকেন। তার ব্যক্তিগত জীবন—প্রেম, বিবাহবিচ্ছেদ, এবং সন্তান—নিয়ে আলোচনা তার কাজের চেয়েও যেন বেশি হয়। সম্প্রতি মাছরাঙা টেলিভিশনের একটি অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী তার জীবনের সিদ্ধান্ত এবং ‘এক্স’ (সাবেক) অবস্থা নিয়ে অকপটে কথা বলেছেন। অভিনেতা শরিফুল রাজের সাথে তার বিচ্ছেদ এবং তাদের ছেলে পুণ্যর দায়িত্ব নিয়ে তার মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে, পুণ্যের দাদাবাবু-দিদিমার ভূমিকা নিয়ে তার প্রশ্নটি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

বিয়ে কি ভুল ছিল? পরীমণির স্পষ্ট উত্তর: ‘সবকিছুই অভিজ্ঞতা’

অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক পরীমণিকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তিনি কি মনে করেন বিয়ে করা ভুল ছিল, জবাবে অভিনেত্রী দৃঢ়ভাবে বলেন, “না। আমার জীবনে কোনো কিছুই ভুল নয়। সবকিছুই একটি অভিজ্ঞতা।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, পুণ্য না থাকলেও তিনি একই কথা বলতেন।

Advertisement

অভিনেত্রী জানান, তিনি তার অতীতের সম্পর্কগুলোতে এবং তার সাবেক স্বামীকে সম্মান দিয়েছেন এবং পেয়েছেন। তার কোনো ‘এক্স’-এর সাথেই তার সম্পর্ক এমন তিক্ত হয়নি যেখানে ‘নাম ধরে ডাকা’ বা ‘চরিত্র নিয়ে আক্রমণ’ করা হয়েছে যা তার আত্মসম্মানে আঘাত করতে পারে।

Advertisement

সবচেয়ে বেশি অপমান করেছেন যিনি:

বিচ্ছেদের সময় সম্মান এবং সামাজিকতা নিয়ে পরীমণি তার অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, তিনি সবসময় চেয়েছিলেন সম্পর্কটি যেন একটি ‘সম্মানজনক পর্যায়ে’ শেষ হয়, যাতে তাদের কোথাও দেখা হলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়।

Advertisement

তবে এই প্রসঙ্গে তার অভিযোগ ছিল তার সবচেয়ে সাম্প্রতিক সাবেক স্বামী শরিফুল রাজের দিকে। তিনি বলেন, “যে সাবেক স্বামীর কাছ থেকে আমার সবচেয়ে বেশি সম্মান পাওয়ার কথা ছিল, তিনিই আমাকে সবচেয়ে বেশি অপমান করেছেন। বিচ্ছেদটি আরও সুন্দর হতে পারত, কেন হলো না?”

Also Read:বিকেলের চায়ের সঙ্গী বাড়িতে তৈরি করুন

‘সে নিশ্চয় ভুলে গেছে তার একটি সন্তান আছে’ – পুণ্যের খোঁজখবর নিয়ে প্রশ্ন

সঞ্চালক যখন পুণ্যের বাবা শরিফুল রাজের খোঁজখবর নেওয়া এবং ভরণপোষণ দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন, পরীমণি উত্তরে বলেন, “আমি কিছুই শুনিনি। আমার মনে হয় সে ভুলে গেছে যে তার একটি সন্তান আছে। আমি নিশ্চিত সে ভুলে গেছে।”

যোগাযোগে বাধা দেওয়ার অভিযোগের জবাবে অভিনেত্রী স্পষ্টভাবে বলেন, “হাসপাতালে তার ফোন নম্বর দেওয়া আছে… পুণ্যের টিকাদান সংক্রান্ত মেসেজ হাসপাতাল থেকে চব্বিশ ঘণ্টা তার নম্বরে যায়, সেটা কি সে দেখে না?” তিনি দাবি করেন যে এই অভিযোগ মিথ্যা এবং তিনি পুণ্যকে নিয়ে সমস্ত তথ্য এবং স্মৃতি সতর্কতার সাথে সংরক্ষণ করেছেন যাতে তার অনুপস্থিতিতেও পুণ্য সবকিছু জানতে পারে। আমার সন্তানের দাদাবাবু-দিদিমারাও কি ‘এক্স’ (সাবেক) হয়ে গেছেন?

সাক্ষাৎকারের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ ছিল পুণ্যের পিতার পরিবার

নিয়ে তার প্রশ্ন। পরীমণির দাবি, শরিফুল রাজ ভুলে গেলেও পুণ্যের দাদাবাবু-দিদিমাদের রক্তের বাঁধন ধরে রাখা উচিত।

তিনি প্রশ্নটি তুলে ধরেন: “পুণ্যের বিশেষ দিনগুলিতে তারা কেন ফোন করেন না? পুণ্য অসুস্থ হলে তারা কেন ফোন করেন না বা জানতে চান না? …তারাও কি ‘এক্স’ (সাবেক) হয়ে গেছেন?” এই প্রশ্নটি মূলত পরিবার এবং রক্তের বন্ধন সম্পর্কে দায়িত্ববোধ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায়।

পাঠকের জন্য প্রশ্ন

পরীমনির এই মন্তব্য সম্পর্কে আপনার মতামত কী? মন্তব্য বিভাগে আপনার ভাবনাগুলো জানান, একটি সন্তানের প্রতি বাবা এবং তার পরিবারের ভূমিকার গুরুত্ব বিবেচনা করে। আপনি কি মনে করেন পুণ্যের দাদাবাবু-দিদিমাদের তার খোঁজখবর নেওয়া উচিত?

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সবচেয়ে বেশি পঠিত