Advertisement
ভূমিকা: বলিউডে আবার নেপোটিজম বিতর্ক
বলিউডে নেপোটিজম বা বংশগত সুবিধা নিয়ে বিতর্ক নতুন কিছু নয়।
অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর কঙ্গনা রানাওয়াত প্রকাশ্যে শিল্পের প্রভাবশালী পরিবারগুলো খান, কপূর ও জোহরদের সমালোচনা করেন, আর সেই সঙ্গে এই ইস্যু আবারও আলোচনায় আসে।
এই বিতর্কের মাঝেই সোনাক্ষী সিনহাও বারবার সমালোচনার মুখে পড়েছেন, কারণ তিনি কিংবদন্তি অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহার মেয়ে।
তবে এবার তিনি তির্যক রসিকতা, আত্মবিশ্বাস ও হাস্যরস মিশিয়ে জবাব দিয়েছেন, যা বিতর্ককে এক হালকা অথচ তীক্ষ্ণ দিক দিয়েছে।
Advertisement
সোনাক্ষী সিনহার নতুন বিজ্ঞাপন ও আলোচনা
সম্প্রতি ধনতেরাস উপলক্ষে একটি অনলাইন শপিং ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনে সোনাক্ষী সিনহাকে দেখা যায়।
বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়ে, কারণ এতে আত্ম-বিদ্রূপের ছোঁয়া এবং বলিউডের “নেপোটিজম বিতর্ক”-এর প্রতি সরাসরি ইঙ্গিত রয়েছে।
Advertisement
ভিডিওটিতে দেখা যায়, সোনাক্ষী সত্যি সত্যি মুখে একটি সোনার চামচ নিয়ে জন্ম নিচ্ছেন যা “স্টার কিড”দের প্রতি করা প্রচলিত কটাক্ষের একটি মজার প্রতীক।
শৈশব থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত সেই সোনার চামচ তার জীবনের অংশ থাকে কখনও তা ঝলমল করে, কখনও ধুলো জমে, আবার কখনও তিনি নিজেই সেটি ঘষে পালিশ করেন।
Advertisement
এই “সোনার চামচ” আসলে বিশেষ সুবিধা বা প্রিভিলেজের প্রতীক — যা সমালোচকেরা প্রায়ই শিল্পের ভেতরের পরিবারের সন্তানদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করে থাকেন।
Also read:যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরায়েলে পৌঁছেছেন শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে
অর্থ ও প্রতিক্রিয়া
এই বিজ্ঞাপন প্রকাশের পরই দর্শকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ কেউ সোনাক্ষীর আত্ম-সচেতনতা ও হাস্যরসের প্রশংসা করেন, আবার কেউ বলেন এটি “নেপোটিজমকে হালকাভাবে নেওয়া।”
তবে অনেক বিশ্লেষকের মতে, এই বিজ্ঞাপনটি দেখিয়েছে যে সোনাক্ষী বিতর্ককে গুরুত্ব না দিয়ে বরং সেটিকে নিজের শক্তিতে পরিণত করেছেন।
একজন ভক্ত মন্তব্য করেন, “সে জানে মানুষ কী বলে, কিন্তু তার জবাব দিচ্ছে স্টাইল ও স্মার্টনেসে।”
উপসংহার
সোনাক্ষী সিনহার “সোনার চামচ” বিজ্ঞাপনটি কেবল একটি মার্কেটিং প্রচারণা নয় এটি বলিউডের নেপোটিজম ইস্যু নিয়ে এক রসিক অথচ বুদ্ধিদীপ্ত মন্তব্য।
হয়তো তিনি জন্মগতভাবে একটি “সোনার চামচ” পেয়েছেন, কিন্তু নিজের জায়গা তৈরির জন্য যে কঠোর পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাস প্রয়োজন, তা তিনি নিজের কর্মজীবনেই প্রমাণ করেছেন।
