Advertisement
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সারা দেশে এক ব্যাপক রাজনৈতিক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে তারেক রহমান লন্ডন থেকে সিলেট হয়ে ঢাকা পৌঁছান। ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার বহনকারী বিমানটি সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করলেও স্থানীয় নেতা কর্মী এবং সাধারণ সমর্থকরা তাদের নেতার দেখা পাননি। এই পরিস্থিতির প্রকৃত কারণ ব্যাখ্যা করেছেন সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।
সিলেট বিমানবন্দরে কেন দেখা হলো না
ইমদাদ হোসেন চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন একটি ঐতিহাসিক এবং আনন্দের উপলক্ষ হলেও নিরাপত্তা প্রোটোকল এবং শৃঙ্খলার প্রয়োজনে বিমানবন্দরে কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা করা হয়নি।
Advertisement
প্রধান কারণসমূহ
Advertisement
বিমানের ভেতরেই অবস্থান তারেক রহমান সিলেট বিমানবন্দরে অবতরণের পর বিমান থেকে নিচে নামেননি।
Advertisement
নিরাপত্তা উদ্বেগ হাই প্রোফাইল এই প্রত্যাবর্তনের কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি কমাতে দলীয় নেতৃত্ব এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নেতা কর্মীদের ভিড় না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি লন্ডন থেকে আসা বিমানটি সিলেটে মাত্র এক ঘণ্টার জন্য থেমেছিল যাতে সিলেটের যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে সরাসরি ঢাকায় রওনা হতে পারে।
সিলেট থেকে ঢাকা অভিমুখে নেতা কর্মীদের বিশাল যাত্রা
সিলেটে দেখা না হলেও নেতা কর্মীদের উৎসাহে কোনো কমতি ছিল না। প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানাতে হাজার হাজার সিলেটি ঢাকায় পাড়ি জমিয়েছেন।
পরিবহন ব্যবস্থা সিলেট থেকে নেতা কর্মীদের নিয়ে ২০০টিরও বেশি বাস এবং মাইক্রোবাস ঢাকায় পৌঁছেছে।
বিশেষ ট্রেন বিশাল সংখ্যক যাত্রীর চাপ সামলাতে বিএনপি সাধারণ ট্রেনে বাড়তি বগি যুক্ত করার পাশাপাশি সিলেট থেকে ঢাকা রুটে একটি বিশেষ ট্রেন ভাড়া করেছে।
জনসাধারণের উৎসাহ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছেলেকে দেখতে কেবল দলীয় কর্মীরাই নন সাধারণ মানুষও ব্যাপক আগ্রহী।
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সময়সূচী
| ইভেন্টের বিবরণ | তথ্য |
| প্রস্থানের স্থান | লন্ডন, যুক্তরাজ্য |
| বাংলাদেশে প্রথম অবতরণ | ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেট |
| পৌঁছানোর সময় | বৃহস্পতিবার সকাল ১০:০০ টা (সিলেট) |
| চূড়ান্ত গন্তব্য | হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা |
| অবস্থানের সময় | প্রায় এক ঘণ্টা (বিমানের ভেতরে) |
বিএনপির সঙ্গে সিলেটের আত্মিক বন্ধন
ইমদাদ হোসেন চৌধুরী তারেক রহমানকে সিলেটের জামাতা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন হযরত শাহ জালাল র এর পুণ্যভূমিতে তাঁর পা রাখা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। তার প্রত্যাবর্তনের পর থেকে সিলেটের মানুষের সঙ্গে একটি গভীর আবেগীয় বন্ধন তৈরি হয়েছে। বিএনপির নেতা কর্মীরা গত তিন দিন ধরে ধাপে ধাপে ঢাকায় যাত্রা করেছেন এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে।
Also read:শীতকালে গোসলের জন্য কোন জল বেশি ভালো গরম না ঠান্ডা জানুন আসল সত্য
সাধারণ জিজ্ঞাসা
১ তারেক রহমান কত বছর পর বাংলাদেশে ফিরেছেন
প্রায় ১৭ থেকে ১৮ বছর নির্বাসিত জীবন কাটানোর পর তারেক রহমান দেশে ফিরে আসছেন।
২ তারেক রহমান কি সিলেটে কোনো জনসভায় বক্তব্য দেবেন
বর্তমানে সিলেটে কোনো বক্তব্যের কর্মসূচি নেই তিনি সরাসরি ঢাকায় যাচ্ছেন যেখানে পূর্বাচলে তাকে এক বিশাল সংবর্ধনা দেওয়া হবে।
৩ নেতা কর্মীদের কেন ঢাকায় যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল
নিরাপত্তার কড়াকড়ি এবং বিমানবন্দরের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সেখানে বড় জমায়েত নিষিদ্ধ ছিল। তাই কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় সমর্থকদের ঢাকার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বলা হয়েছে।
সারাংশ এবং জনমত
তারেক রহমানের ফিরে আসা বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি বড় পরিবর্তন হতে পারে। সিলেট থেকে ঢাকা পর্যন্ত এই ব্যাপক উদ্দীপনা বিএনপির জনপ্রিয়তারই প্রমাণ। যদিও সিলেটের মানুষ তাদের জামাতাকে বিমানবন্দরে সরাসরি দেখার সুযোগ পাননি তবে পুরো ঢাকা শহর তাকে স্বাগত জানাতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন ভবিষ্যতে কী ভূমিকা রাখবে বলে আপনি মনে করেন। এটি কি বিএনপিকে নতুন করে শক্তিশালী করবে। আপনার মতামত কমেন্টে জানান এবং এই গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক খবরের তথ্যটি শেয়ার করুন।
ডিসক্লেইমার
এই খবরটি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য উৎস এবং জনসমক্ষে উপলব্ধ তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। প্রদত্ত বিষয়বস্তু শুধুমাত্র তথ্যগত এবং বিনোদনের উদ্দেশ্যে এবং এটিকে চূড়ান্ত বা নিশ্চিত বিবৃতি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। খবরের অন্তর্ভুক্ত মতামত বিশ্লেষণ বা ভবিষ্যদ্বাণী লেখকের ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি এবং কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার প্রতিনিধিত্ব করে না। তথ্য সময়ের সাথে পরিবর্তিত হতে পারে তাই পাঠকদের যাচাইকরণের জন্য সরকারি বা নির্ভরযোগ্য উৎসের সাহায্য নেওয়া উচিত। এই খবরের তথ্যের উপর নির্ভর করার ফলে উদ্ভূত কোনো ক্ষতি বা ভুল বোঝাবুঝির জন্য কোনো দায় গ্রহণ করা হবে না।
